Even after losing his three-year-old son, Manish's goal is to stay by the side of the country at this time

তিন বছরের ছেলেকে হারিয়েও এই সময় দেশের পাশে থাকায় লক্ষ্য উত্তরপ্রদেশের মনীশের

ভাস্বতী দাশ, প্রতিনিধি – দেশে করোনার হানা ক্রমশই উর্ধমুখী , আক্রান্ত 49 হাজার মৃত বেড়ে হয়েছে 1694 জন | করোনার কঠিন পরিস্থিতিতে দেশের সামনে থাকা কান্ডারিরা রাতদিন মানুষের পাশে থাকার অবিরত চেষ্টা করছেন |যারা আইসোলেশন ওয়ার্ড এ কাজ করছেন তাদের কোভিড গিয়ার খোলার উপায় নেই |এদিকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে এক অন্য হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়েই মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে সন্তান| তাঁর মৃত্যুতে কার্যত কিছুই করতে পারলেন না এই বাবা |

উত্তরপ্রদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০০ ছুঁইছুঁই| বহু করোনা যোদ্ধাকেই ভুলে সারাদিন সেবা দিতে হচ্ছে | একবার গিয়ার পরে নিলে শিফট শেষ হওয়ার আগে তা খোলারও উপায় নেই|এই যুদ্ধেই সামিল লখনউয়ের লোকবন্ধু হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় মনীশ কুমার| একদিকে রোগীর সেবা করে চলেছেন, অন্য দিকে ঘড়ি দেখছেন |কখন সুসংবাদ আসবে|এল অবশ্য খারাপ খবরটাই। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিলেন, মনীশের তিন বছরের সন্তানকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি|

সবটা জেনেও কর্তব্যে ফাঁকি দেননি মনীশ |কাজ সেরেই যান ছেলেকে চোখের দেখা দেখতে | কিন্তু সেখানেও বাঁধা | মেডিক্যাল প্রোটোকলের কারণে দূর থেকেই ছেলের শেষকৃত্য দেখতে হল, সামনাসামনি যেতে পারলেন না পরিবারের লোকের |কারণ তাঁর থেকেও সংক্রমণ ছড়ানোর ভয় রয়েছে |মুহূর্তে ছাই হয়ে গিয়েছে একরত্তি ছেলের দেহ। শ্বাস টেনে ফের কাজে ফেরার প্রস্তুতি।