Beside the unorganized workers, there is the largest workers' organization of the power board

অসংগঠিত কর্মীদের পাশে আছে বিদ্যুৎপর্ষদের সর্ববৃহৎ কর্মী সংগঠন

নিউজ ডেস্ক – বিদ্যুৎ পর্ষদ মানেই আমরা জানি বাড়ির আলো, পাখা, রাজ্যের কল কারখানা ইত্যাদি ইত্যাদি। করোনা পরিস্থিতিতে আজ সমস্ত রাজ্য জুড়ে চলছে এক মহা কর্মকান্ড আর সেই কর্মকান্ড রূপায়নে যাঁদের ভূমিকা অপরিসীম তাঁরা হলেন বিদ্যুৎ কর্মী।অসংগঠিত কর্মীরা হলেন বিদ্যুৎ পর্ষদের মেরুদন্ড আর ঝুঁকির কাজে লিপ্ত, জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষনে দাঁড়িয়ে থাকে সর্বদা। আজকের দিনে তাঁরা আর্থিক ভাবে অনেকাংশে ক্ষতিগ্রস্ত, অনেকেই সমস্যায় আছেন। কিন্তু এই সমস্ত অসংগঠিত কর্মীদের পাশে আছে বিদ্যুৎ পর্ষদের সর্ব বৃহৎ কর্মী সংগঠন – WBSEB Employees & Workers Union, Registration No. 24071, Affiliation No. – 002 (INTTUC)। চলুন আজ শ্রমিক দিবসে তাঁদের কর্মকান্ড নিজেদের চোখেই দেখে নিই।

এই সংগঠনের হুগলী জেলার সম্পাদক তথা কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মাননীয় সুজয় ঘোষ ও জেলা কমিটির সভাপতি মাননীয় অমিত সরকার, সংগঠনের প্রথম দিনের সাথী সৌরভ ব্যানার্জী ও অন্যান্য কর্মীদের চেষ্টায় ও সহযোগিতায় হুগলির বিভিন্ন বিদ্যুৎ অফিসের অসংগঠিত কর্মী ও তৎসংলগ্ন প্রান্তিক অসহায় মানুষের কাছে খাদ্য সামগ্রী তুলে দেয়, সংগঠনের তরফে। হুগলি জেলার সমস্ত কর্মীরা এই সময় তৎপর, কর্মীরা জানান আমরা মায়ের আদেশ পালন করছি শুধুমাত্র। মমতা ব্যানার্জী আমাদের মুখ্যমন্ত্রী হলেও আমরা তাঁকে মাতৃরূপে পুজো করি।

তৃনমূল শ্রমিক সংগঠনের জনক তথা বর্তমান ভারপ্রাপ্ত বিদ্যুৎ মন্ত্রী মাননীয় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রথমে কলকাতা কর্পোরেশন এবং দ্বিতীয়, এই বিদ্যুৎ পর্ষদের সংগঠন তৈরী করেন যা তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের দ্বিতীয় অনুমোদন প্রাপ্ত, এবং এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাননীয় বলাই দাস মহাশয়ের সুযোগ্য নেতৃত্বে তাঁর সংগঠনের কর্মীরা আজ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। হুগলি জেলার অনেক কর্মী ও প্রান্তিক মানুষরা, আজ ভীষণ খুশি যে, অন্যান্য অনেক কর্মী সংগঠন যখন আজ শীতঘুমে তখন বাংলার গর্ব মমতার সৈনিক রা দ্বায়িত্ব পালনে তৎপর।

হয়তো এটাই শ্রমিক দিবসের যথা যত সম্মান প্রদান।